ফেসের সুরক্ষায় সাবান নয়, শুধুই ফেসওয়াশ।


সাবান কেন ব্যবহার করবেন না।

  • সাবানের ক্ষার ফেসের pH লেভেল ও কোমলতা নষ্ট করে।

  • সাবান ব্যবহারে ফেস অনেক বেশি শুস্ক হয়ে যায়।

  • সাবানের কারনে ফেস শুস্ক হলে ফেসে দেখা দেয় রিংকেল।


কেন ফেসওয়াশ ব্যবহার করবেন?

  • ফেসওয়াশের সহনীয় ক্ষার ত্বকের pH লেভেল বজায় রাখে। 

  • এটি ফেসের হারিয়া যাওয়া কোমলতা ফিরিয়ে আনে।

  • ফেসওয়াশ ব্যবহার করলে ত্বকে রিংকেল পড়েনা।

  • উন্নতমানের ফেসওয়াশ অনেক ক্ষেতে ফর্শার কাজও করে।

  • অনেক ফেসওয়াশ যাদের বয়স্ক ভাব দূর করে।

  • ব্রণ সমস্যার জন্য এন্টিঅ্যাকনি ফেসওয়াশ ব্যবহারে ব্রণ কমে আসে।

  • যাদের মুখ অতিরিক্ত Oil দেখা যায় তাদের oil control ফেসওয়াশ ব্যবহারে oil কমে আসে যা সাধারণ সাবান দিতে পারে না।

  • নিম ফেসওয়াশ ব্যবহারে ব্রণ / ব্যাকটেরিয়া দূর হয়।


নিচে নিম ফেসওয়াশ এর উপকারিতা উল্লেখ করা হলঃ

নিম হলো সকল রোগের মহা ঔষধ। আর ফেসওয়াশ যদি হয় নিমের তাহলে তো কথাই নেই।

উপকারিতাঃ

১। ব্রণ নিরাময়।

নিম ফেসওয়াশ ত্বকে ব্রণ সমস্যা দূর করে। নিমে রয়েছে এন্টি ব্যাকটেরিয়া যা ব্রণ দূর করতে খুবই কার্যকারী। 

২। ব্যাকটেরিয়া নাশক।

নিম ফেসওয়াশে রয়েছে ব্যাকটেরিয়া নাশক ক্ষমতা । পরিবেশ দূষিত হওয়ার কারনে ত্বকে যে ময়না বা জীবাণু হয় নিম ফেসওয়াশ তা দূর করে।

৩। ত্বকের Ph লেভেল ঠিক রাখে।

নিম ফেসওয়াশ ব্যবহারে ত্বকের ph লেভেল ঠিক রাখে। এক কথায় বলতে গেলে নিম ত্বকের উপরে সব সমস্যার সমাধান করে।

৪। মসৃণভাব বজায় রাখে।

নিম ফেসওয়াশ ত্বকের জীবাণু ও ব্যাকটেরিয়া দূর করে ত্বকে রাখে কোমল ও মসৃণ।

৫। ত্বক উজ্জ্বল রাখে।

নিম ফেসওয়াশ ব্যবহারে ত্বক নিখুঁত থাকে এবং ত্বকে প্রাকৃতিক লাবন্য ফিরিয়ে আনে।

Post a Comment

أحدث أقدم